• ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ০১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

DGP

দেশ

এসআইআর ইস্যুতে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে শোকজ সুপ্রিম কোর্টের, চাপে প্রশাসন

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে বিভিন্ন জায়গায় গন্ডগোলের অভিযোগ সামনে আসতেই কড়া পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। এসআইআর-এর কাজে যুক্ত কর্মীদের ভয় দেখানো এবং হিংসার অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি পীযূষ পান্ডেকে শোকজ করেছে শীর্ষ আদালত। তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে হলফনামা জমা দিয়ে ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ।গত বছরের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শুরু থেকেই বিভিন্ন ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করে আসছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। এসআইআর-এ শুনানি পর্ব শুরু হওয়ার পর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির খবর সামনে আসে। কোথাও বিডিও অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে, আবার কোথাও অফিসে ঢুকে আধিকারিককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও সামনে আসে।এই সব অভিযোগ সুপ্রিম কোর্টে তুলে ধরে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের দাবি, হুমকি, হিংসা এবং ভয় দেখিয়ে এসআইআর প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার চেষ্টা করা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও এফআইআর দায়ের হয়নি বলেও জানানো হয় আদালতে। এর পরই শীর্ষ আদালত রাজ্য পুলিশের ডিজিকে শোকজ করে ব্যক্তিগত হলফনামা জমা দিতে নির্দেশ দেয়।ডিজি পীযূষ পান্ডে এই শোকজের কী জবাব দেন, সেটাই এখন দেখার। এদিকে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, এসআইআর সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরও-রাই। তাঁদের নথি যাচাইয়ের জন্য ১৪ ফেব্রুয়ারির পর আরও এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ায় কোনও বাধা বরদাস্ত করা হবে না।রাজ্য পুলিশের ডিজিকে শোকজ করা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার চূড়ান্ত অবনতি হয়েছে। তাঁর দাবি, ডিজিকে শোকজ করার অর্থই হল রাজ্যের পুলিশমন্ত্রীকে শোকজ করা, যেহেতু পুলিশ দফতরের দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
কলকাতা

রাজীব কুমারের অবসরের আগেই বড় মোড়, ডিজি বিতর্কে মামলা তুলে নিচ্ছেন রাজেশ কুমার

আগামী ৩১ জানুয়ারি অবসর নিচ্ছেন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার। তাঁর অবসরের পর রাজ্যের পরবর্তী ডিজি কে হবেন, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জটিলতা চলছিল। সেই জটিলতা আরও বেড়ে যায়, যখন আইপিএস রাজেশ কুমার ইউপিএসসি-র বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করেন। তবে শেষ পর্যন্ত সেই মামলা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন রাজেশ কুমার।রাজ্যের বিদায়ী ডিজি রাজীব কুমারকে ইতিমধ্যেই বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাঁর উত্তরসূরি কে হবেন, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ইউপিএসসি-র দাবি ছিল, কোনও স্থায়ী ডিজির অবসর নেওয়ার অন্তত তিন মাস আগে প্রস্তাবিত নামের প্যানেল পাঠাতে হয়। সেই হিসেবে রাজ্যের উচিত ছিল ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ওই তালিকা পাঠানো। কিন্তু রাজ্য সরকার সেই প্যানেল পাঠায় ২০২৩ সালের ২৭ ডিসেম্বর। সম্প্রতি সেই তালিকা ইউপিএসসি ফেরত পাঠায়।এর আগে কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল নির্দেশ দিয়েছিল, ২৩ জানুয়ারির মধ্যে রাজ্যের পাঠানো সিনিয়রিটির তালিকা থেকে ইউপিএসসি নাম বাছাই করবে। ২৮ জানুয়ারির মধ্যে তিন জনের নাম চূড়ান্ত করে রাজ্যকে জানাতে হবে এবং ২৯ জানুয়ারির মধ্যেই রাজ্যকে নতুন ডিজি নিয়োগ করতে হবে। কিন্তু ইউপিএসসি সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা দায়ের করে।এই পরিস্থিতিতে আইপিএস রাজেশ কুমার অভিযোগ করেন, ডিজি হওয়ার সব যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাঁকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তাঁর মামলার ভিত্তিতে ট্রাইবুনাল নির্দেশ দেয়, ২৩ জানুয়ারির মধ্যে ডিজি পদের জন্য প্রস্তাবিত নামের তালিকা নতুন করে ইউপিএসসি-র কাছে পাঠাতে হবে। সেই নির্দেশ মেনে রাজ্য সরকার বুধবার আট জন সিনিয়র আইপিএস অফিসারের নামের তালিকা দিল্লিতে পাঠিয়েছে।এদিকে, রাজেশ কুমারের করা আদালত অবমাননার মামলার শুনানি ধার্য ছিল আগামী ২ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু তার আগেই, ৩১ জানুয়ারি রাজীব কুমারের অবসর হচ্ছে। অবসরের পরে এই মামলার আর কোনও বাস্তব গুরুত্ব থাকবে না বলেই মনে করছেন রাজেশ কুমার। সেই কারণেই তিনি ক্যাট থেকে আদালত অবমাননার মামলা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এতে রাজ্য পুলিশের ডিজি নিয়োগ সংক্রান্ত জটিলতা কিছুটা হলেও মিটতে পারে বলে প্রশাসনিক মহলের ধারণা।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা পুলিশের নতুন কমিশনার সুপ্রতিম সরকার, সরলেন মনোজ ভর্মা

দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যে পুলিশপ্রধান কে হবেন, তা নিয়ে চলছিল টানাপোড়েন। অবশেষে সেই জল্পনার অবসান ঘটাল রাজ্য সরকার। রাজীব কুমারের অধ্যায় শেষ হচ্ছে। শনিবার তাঁর অবসরগ্রহণের দিন। শেষ দিন পর্যন্ত তিনি ভারপ্রাপ্ত ডিজি হিসেবেই দায়িত্ব পালন করছেন। গত ২৮ জানুয়ারি তাঁর বিদায় সংবর্ধনা হয়ে গিয়েছে। বিদায়ের আগেই রাজ্য সরকার নতুন ডিজির নাম ঘোষণা করল। তবে স্থায়ী নয়, আবারও ভারপ্রাপ্ত হিসেবেই।রাজ্যের নতুন ভারপ্রাপ্ত পুলিশ ডিজি করা হল আইপিএস পীযূষ পান্ডেকে। বর্তমানে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। সেই পদ থেকেই সরাসরি রাজ্য পুলিশের সর্বোচ্চ দায়িত্বে বসলেন তিনি। পীযূষ পান্ডে এর আগে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের প্রথম কমিশনার ছিলেন। এক সময় তিনি কেন্দ্রীয় ডেপুটেশনেও কাজ করেছেন। এসপিজিতেও দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।পীযূষ পান্ডে ডিজি হওয়ায় ফাঁকা হল মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার পদ। সেই জায়গায় দায়িত্ব পেলেন মনোজ ভর্মা। এতদিন তিনি কলকাতা পুলিশের কমিশনার ছিলেন। এবার তাঁকে সরিয়ে ডিরেক্টর অব সিকিউরিটির দায়িত্ব দেওয়া হল। কলকাতা পুলিশের নতুন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন আইপিএস সুপ্রতিম সরকার। এতদিন তিনি রাজ্য পুলিশের এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) ছিলেন। এবার শহরের আইনশৃঙ্খলার ভার তাঁর কাঁধে।এই রদবদলের তালিকায় আবার ফিরল বিতর্কিত নাম বিনীত গোয়েলের। আরজি কর কাণ্ডের পর কলকাতা পুলিশ কমিশনারের পদ হারান তিনি। পরে পদত্যাগ এবং হাইকোর্টে ক্ষমা চাওয়ার ঘটনাও ঘটে। এতদিন তিনি এডিজি-আইজি এসটিএফের দায়িত্বে ছিলেন। এবার তাঁকে রাজ্যের এডিজি আইনশৃঙ্খলা পদে বসানো হল। তাঁর জায়গায় এসটিএফের দায়িত্ব পেলেন জাভেদ শামিম।পুলিশের পাশাপাশি দমকল দফতরেও বড় রদবদল হয়েছে। এতদিন দমকলের ডিজি ছিলেন রণবীর কুমার। সম্প্রতি আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। আগুন লাগার প্রায় ৩০ ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। সেই আবহেই দমকলের ডিজি পদে বদল আনা হল। নতুন দমকল ডিজি হলেন অনুজ শর্মা।এ ছাড়াও ডিজি কারেকশাল হোম পদে আনা হয়েছে সিদ্ধিনাথ গুপ্তাকে। বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মুরলিধর শর্মা। ব্যারাকপুর কমিশনারেট থেকে তাঁকে সরানো হয়েছে। তাঁর জায়গায় ব্যারাকপুরের দায়িত্ব দেওয়া হল প্রবীণ কুমার ত্রিপাঠীকে। হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের নতুন কমিশনার হলেন আকাশ মাঘারিয়া।একসঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে এই রদবদল রাজ্যের প্রশাসনিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহল।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৬
কলকাতা

ফের কি রাজীব কুমার? রাজ্য পুলিশের শীর্ষ পদ ঘিরে বড় প্রশ্ন

আগামী ৩১ জানুয়ারি অবসর নিচ্ছেন রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি রাজীব কুমার। তাঁর সরকারি বিদায় সংবর্ধনার দিনও ঠিক হয়েছে ২৮ জানুয়ারি। গত দুবছর ধরে রাজ্য পুলিশের শীর্ষ পদে ছিলেন তিনি। তাঁর অবসরের সঙ্গে সঙ্গেই প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যের পরবর্তী ডিজি কে হচ্ছেন।নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি রাজ্য সরকার যে পুলিশকর্তাদের নাম ডিজি পদের জন্য কেন্দ্রের কাছে পাঠিয়েছে, সেই তালিকায় রয়েছে রাজীব কুমারের নামও। এর জেরে জল্পনা শুরু হয়েছে, তাঁকেই কি আবার ডিজি পদে রাখতে চাইছে রাজ্য সরকার। রাজ্য পুলিশের পরবর্তী ডিজি পদের জন্য মোট আট জন সিনিয়র আইপিএস অফিসারের নাম প্রস্তাব করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ওই তালিকায় রাজীব কুমারের পাশাপাশি রয়েছেন আইপিএস রাজেশ কুমারও। গত বুধবার এই তালিকা দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে।নিয়ম অনুযায়ী, রাজ্য সরকার প্রথমে ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের কাছে সিনিয়র আইপিএস অফিসারদের নামের একটি প্যানেল পাঠায়। সেখান থেকে ইউপিএসসি তিন জনের নাম বেছে রাজ্যকে পাঠায়। ওই তিন জনের মধ্য থেকেই রাজ্য সরকার একজনকে স্থায়ী ডিজি হিসেবে নিয়োগ করে।রাজ্যের পাঠানো তালিকায় রয়েছেন ভারপ্রাপ্ত ডিজি রাজীব কুমার, আইপিএস রাজেশ কুমার এবং আরও ছয় জন সিনিয়র আইপিএস অফিসার রণবীর কুমার, দেবাশিস রায়, অনুজ শর্মা, জগমোহন, এন রমেশ বাবু ও সিদ্ধিনাথ গুপ্ত। একটি সূত্রের দাবি, পরবর্তী স্থায়ী ডিজি পদের জন্য পীযূষ পাণ্ডে, রাজেশ কুমার এবং রণবীর কুমারের নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। পীযূষ পাণ্ডে প্রাক্তন এসপিজি অফিসার এবং বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন। যদিও এই তিন জনের মধ্য থেকেই যে পরবর্তী ডিজি হবেন, তা এখনও নিশ্চিত নয়।উল্লেখ্য, রাজ্য পুলিশের শেষ স্থায়ী ডিজি ছিলেন মনোজ মালব্য। তিনি ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে অবসর নেন। নিয়ম অনুযায়ী, ডিজি অবসরের সময় রাজ্যের যে আট জন সিনিয়র আইপিএস অফিসার ছিলেন, তাঁদের নামই ইউপিএসসি-র কাছে পাঠানো হয়েছে। সেই কারণেই বর্তমান ভারপ্রাপ্ত ডিজি রাজীব কুমারের নামও তালিকায় রয়েছে।এর আগে স্থায়ী ডিজি নিয়োগের জন্য রাজ্য সরকার একবার নামের তালিকা পাঠিয়েছিল। কিন্তু আইনি জটিলতার কারণে সেই প্রক্রিয়া আটকে যায়। ইউপিএসসি জানায়, ডিজি অবসরের অন্তত তিন মাস আগে প্রস্তাবিত নামের প্যানেল পাঠানো উচিত ছিল। অর্থাৎ ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে তালিকা পাঠাতে হত। কিন্তু রাজ্য সরকার সেই তালিকা পাঠিয়েছিল ২৭ ডিসেম্বর। ফলে সেই প্যানেল ফেরত পাঠানো হয়।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ট্রাইবুনালের দ্বারস্থ হন আইপিএস রাজেশ কুমার। ১৯৯০ ব্যাচের এই আইপিএস অফিসার বর্তমানে রাজ্যের গণশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার পরিষেবা দফতরের মুখ্যসচিব। তাঁর দাবি, ডিজি হওয়ার সব যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাঁকে বঞ্চিত করা হয়েছে। সেই মামলার প্রেক্ষিতে ট্রাইবুনাল নির্দেশ দেয়, ২৩ জানুয়ারির মধ্যে নতুন করে ডিজি পদের জন্য প্রস্তাবিত নামের তালিকা ইউপিএসসি-র কাছে পাঠাতে হবে রাজ্য সরকারকে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২৬
কলকাতা

নিরাপত্তায় গাফিলতি? রাজ্য পুলিশের ডিজিকে শোকজ করে চাঞ্চল্য তদন্ত কমিটির

রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারকে শোকজ করল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটি। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অসীম কুমার রায়ের নেতৃত্বে তৈরি হওয়া ওই কমিটির তরফে ডিজিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে একাধিক পুলিশ আধিকারিককেও শোকজ করা হয়েছে। তবে এই প্রথম রাজ্য পুলিশের বর্তমান ডিজিকে এ ভাবে শোকজ করা হল বলে প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।গত শনিবার ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির উপস্থিতিতে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভয়াবহ বিশৃঙ্খলার ছবি সামনে আসে। মেসিকে এক ঝলক দেখতে না পেয়ে ক্ষুব্ধ দর্শকদের একাংশ ভাঙচুরে নামে। অল্প সময়ের মধ্যেই স্টেডিয়ামের একাংশ ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়।ঘটনার দিন মেসি মাঠে প্রবেশের আগেই যুবভারতীতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার। বিশৃঙ্খলার পরে তিনি সাংবাদিক বৈঠকও করেন। সেই ঘটনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়েই তদন্ত শুরু হয়। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটি পুরো ঘটনার দায় ঠিক করতে নথি ও তথ্য খতিয়ে দেখছে।তদন্তের অগ্রগতির মধ্যেই এবার রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তা রাজীব কুমারকে শোকজ করা হল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাঁর লিখিত জবাবের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় রাজ্য প্রশাসন ও পুলিশের অন্দরে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
রাজ্য

রাজ্য পুলিশের ডিজিকে সরাল কমিশন, ওই পদে এলেন বিবেক সহায়

রাজ্য পুলিশের ডিজি পদ থেকে মুখ্যমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ আইপিএস রাজীব কুমারের অপসারণের কয়েক ঘন্টা পরই নয়া ডিজি বেছে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। রাজ্য পুলিশের ডিজি হলেন আইপিএস বিবেক সহায়। রাজীব কুমারের বদলে রাজ্য পুলিশের ডিজির পদে নিয়োগের জন্য ৩ জন আধিকারিকের নাম নবান্নের থেকে জানতে চেয়েছিল কমিশন। জানা যায়, সেই তালিকায় নাম ছিল বিবেক সহায়, রণবীর কুমার এবং সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের। রাজ্যের পাঠানো সেই তালিকা থেকে নির্বাচন কমিশন ডিজি পদে সিলমোহর দিল আইপিএস বিবেক সহায়ের নামে।আগামী মে মাসে আইপিএস বিবেক সহায়ের অবসরগ্রহণের কথা। সেই কারণেই তাঁর ডিজি হওয়ার সম্ভাবনা কম ছিল বলে মনে করা হচ্ছিল। তবে, সেই সিনিয়ারিটির দরুন-ই লোকসভা ভোটের মুখে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সর্বোচ্চ পদে বেছে নিয়েছে কমিশন। গত নভেম্বর মাস থেকে ডিজি (হোমগার্ড) পদে কাজ করছিলেন আইপিএস বিবেক সহায়।উল্লেখ্য, ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে ভোটপ্রচারে গিয়ে আহত হয়েছিলেন। সে সময় তাঁর প্রধান নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন আইপিএস বিবেক সহায়।শনিবার লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ওই দিন থেকেই দেশ জুড়ে কার্যকর হয় আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি। সেই বিধি জারির ৪৮ ঘন্টা পরই কমিশন রাজীব কুমারকে ডিজি পদ থেকে সরিয়ে দেয়। ওই আইপিএস-কে নির্বাচনী কোনও প্রক্রিয়ার অংশ না করারও নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

মার্চ ১৮, ২০২৪
রাজ্য

মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তমত রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি হলেন রাজীব কুমার, শুভেচ্ছা জানিয়েও খোঁচা তৃণমূল নেতার

রাজ্য পুলিসের নতুন ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজি) হলেন কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার আইপিএস রাজীব কুমার। বুধবার মমতা মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। রাজীব কুমারকে নিয়ে বহু বিতর্ক হয়েছে তিনি কলকাতার পুলিস কমিশনার থাকাকালীন। এহেন আইপিএসকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডিজি পদমর্যাদায় উন্নীত করায় বিরোধীরা কটাক্ষ ছুঁড়ে দিতে কসুর করছেন না। ইউপিএসসি-র কিছু নিময়ের ফেরে, আপাতত রাজীব কুমার ভারপ্রাপ্ত ডিজি হিসেবে কাজ করবেন।কলকাতা পুলিসের প্রাক্তন কমিশনার রাজীব কুমার তথ্য ও প্রযুক্তি দফতরের প্রধান সচিবের পদে কর্মরত ছিলেন। বুধবার মন্ত্রীসভার বৈঠকের পর সরকারিভাবে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে রাজীবের এই পদন্নোতির কথা জানানো হয়। রাজীব কুমার কলকাতার পুলিস কমিশনার থাকাকালীন তাঁর নাম একাধিক বিতর্কে জড়িয়েছিল। ২০১৩ তে বহু চর্চিত সারদা অর্থ লগ্নি সংস্থার মামলায় তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল সিট গঠন করে রাজ্য সরকার। সে সময় সরকারের পক্ষ থেকে বিধাননগর পুলিস কমিশনারের দায়িত্বে থাকা রাজীব কুমারকে সিট-এর দৈনন্দিন কাজকর্ম দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।২০১৩ তে সারদাকাণ্ডে প্রাক্তন সাংবাদিক ও তৎকালীন তৃণমূলের সাংসদ এবং বর্তমানে ওই দলেরই মুখপাত্র রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষকে গ্রেফতার করেছিলেন রাজীব কুমার। এবং ২০১৯ সালে সেই সারদা অর্থ লগ্নি সংস্থার মামলাতেই রাজীব কুমারকে অভিযুক্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তে নামে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। সিবিআই রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে সারদা মামলার তথ্য প্রমান লোপাটের মত ভয়ানক অভিযোগ তোলে। বেশ কিছুদিন লুকোচুরি খেলার পর রাজীব কুমারকে সেই সময় কলকাতা হাই কোর্ট থেকে আগাম জামিন নিতে হয়। ২০১৯ এর ফেব্রুয়ারি মাসে রাজীব কুমারকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য তাঁর বাসভবনে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। তার প্রতিবাদে ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে ধর্নায় বসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে সময় সিবিআই দাবি করে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সারদা-সহ একাধিক অর্থ লগ্নি সংস্থার টাকা ও সুবিধা কারা ভোগ করেছিলেন সে বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। সে সময় সিবিআই আরও জানায়, তাঁরা তদন্তে রাজীব কুমারের থেকে কোনও রকম সহযোগিতা পাননি।প্রসঙ্গ: রাজীব কুমার ডিজি।উনি দক্ষ অফিসার। মাঝখানে ওঁর সঙ্গে তীব্র বিরোধ ছিল। কালীপুজোর দিন CM-এর বাড়িতে বহুদিন পর দেখা ও সৌজন্যবিনিময় হয়।রাজীব, আপনাকে শুভেচ্ছা। তবে কখনও কারুর কথা শুনে আমার মত কোনো নির্দোষের জীবন নষ্ট করতে যাবেন না। এসব ভগবান ক্ষমা করেন না। Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) December 27, 2023রাজীব কুমারকে রাজ্য পুলিসের নতুন ডিরেক্টর জেনারেল-র (ডিজি) পদে বসানোর খবরে তৃণমূলের দলীয় মুখপাত্র ও রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েও তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় খোঁচা দিতেও ছাড়েননি। রাজীবকে দক্ষ আইপিএস অফিসার বলার পরমুহুর্তেই কুণালের কটাক্ষঃউনি দক্ষ অফিসার। মাঝখানে ওঁর সঙ্গে তীব্র বিরোধ ছিল। কালীপুজোর দিন CM-এর বাড়িতে বহুদিন পর দেখা ও সৌজন্য বিনিময় হয়।রাজীব, আপনাকে শুভেচ্ছা। তবে কখনও কারুর কথা শুনে আমার মত কোনও নির্দোষের জীবন নষ্ট করতে যাবেন না। এসব ভগবান ক্ষমা করেন না।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৩
কলকাতা

প্রেসিডেন্সির বন্দি নিখোঁজের তদন্ত করবে ডিজিপি মর্যাদার আধিকারিক, নির্দেশ হাইকোর্টের

সংশোধনাগার থেকে বন্দি নিখোঁজ মামলায় শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে রিপোর্ট জমা দিল প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ। রিপোর্টে জানানো হয়েছে, সংশোধনাগারের ক্যামেরা চলছে। লাইভ ছবি দেখা যাচ্ছে। কিন্তু ডিজিটাল ভিডিও রেকর্ড (ডিভিআর) থেকে সেই রেকর্ড সংগ্রহ করা যাচ্ছে না। অভিজ্ঞ, পেশাদারদের দেখানো হলেও, তারাও ওই রেকর্ড উদ্ধার করতে পারেননি। কিন্তু প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষের এই রিপোর্টে মোটেই খুব একটা সন্তুষ্ট নয় আদালত। রিপোর্টের ভিত্তিতে আদালতের মন্তব্য, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি কি রাতেই ছাড়তে হল? তিনি কোথায় আছেন? ভিডিও ফুটেজ নেই। খাতায় কোনও রেকর্ড নেই।রাজ্যের তরফে আরও বলা হয়েছে, যখন তাকে আনা হয়েছিল তখন ওয়ার্ড বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বিষয়টি দেখার জন্য রাজ্যের তরফে রাজীব কুমারের নাম প্রস্তাব দেওয়া হয়। মামলাকারীর আইনজীবী জানিয়ে দেন, তাঁর হাতে দায়িত্ব না দিতে। বরং মামলাকারীর আইনজীবী সওয়াল করেন, রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল বা এএসজিকে দায়িত্ব দেওয়া হোক। উল্লেখ্য, এই বিষয়ে দুই পক্ষের মন্তব্য শোনার পর আদালতের নির্দেশ, পুলিশকে দায়িত্ব দেব না, সরাসরি যার নিয়ন্ত্রণে জেল আছে।পাশাপাশি এই মামলায় জেল কর্তৃপক্ষের যে গাফিলতি ছিল তা-ও উঠে এসেছে। সেই প্রেক্ষিতেই ডিভিশন বেঞ্চের মন্তব্য, এমন পুলিশ আধিকারিককে দায়িত্ব দেওয়া যাবে না, যিনি সরাসরি জেলের কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এই মামলায় জেল কর্তৃপক্ষের আইনজীবী অমিতেশ বন্দোপাধ্যায় বলেন, জেলের ক্যামেরা চলছিল। লাইভ ছবিও উঠেছে। কিন্তু ডিজিটাল ভিডিও রেকর্ড (ডিভিআর) কাজ না করায় রেকর্ড হয়নি। ওই বিষয়টি বিশেষজ্ঞদের দেখানো হলে তাঁরাও ফুটেজ উদ্ধার করতে পারেননি। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১১ ফেব্রুয়ারি।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
কলকাতা

রাজ্য পুলিশের ডিজিকে সরাল নির্বাচন কমিশন

বিধানসভা নির্বাচনের মুখে ফের রাজ্য পুলিশের শীর্ষ স্তরে রদবদল। এ বার সরানো হল রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্রকে। তাঁর জায়গায় আসছেন নীরজনয়ন পাণ্ডে। রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়ে কমিশন নির্দেশ দিয়েছে, খুব তাড়াতাড়ি নীরজনয়নের হাতে রাজ্য পুলিশের দায়িত্ব তুলে দিতে। একই সঙ্গে এ-ও বলা হয়েছে যে, নির্বাচনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত এমন কোনও পদে বীরেন্দ্রকে রাখা যাবে না। নবান্ন সূত্রে খবর, বুধবারই রাজ্য পুলিশের ডিজি পদে যোগ দিতে পারেন নীরজনয়ন। এক সময় সিবিআই-তে ছিলেন তিনি।বীরেন্দ্রর বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ তুলেছিল বিরোধীরা। তার পরেই কমিশনের এই পদক্ষেপ বলে মনে করছে তারা। প্রসঙ্গত, এর আগে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) পদে থাকা জাভেদ শামিমকেও সরিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তাঁকে পাঠানো হয় দমকলের দায়িত্বে। আর যিনি দমকলের দায়িত্বে ছিলেন সেই জগমোহনকে আনা হয় এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) পদে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা আধিকারিক হিসাবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন বীরেন্দ্র। পরে সুরজিৎ কর পুরকায়স্থ অবসর গ্রহণ করলে বীরেন্দ্রকে ডিজি পদে বসিয়ে, সুরজিৎকে রাজ্যের নিরাপত্তা উপদেষ্টা করা হয়।

মার্চ ০৯, ২০২১
কলকাতা

নাড্ডার কনভয়ে 'হামলা'র ইস্যুতে ফের মুখ্যসচিব, ডিজিপিকে তলব কেন্দ্রের

আইপিএস নিয়ে বিতর্কের ্মাঝেই মুখ্যসচিব এবং ডিজিপিকে তলব করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। যদিও রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে এই মুহুর্তে যা পরিস্থিতি এবং কাজের চাপ রয়েছে সে ক্ষেত্রে কোনওভাবেই ডিজিপি এবং মুখ্যসচিবকে ছাড়া যাবে না। ভিডিয়ো কনফারেন্সিং-এ বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছে রাজ্য। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী এখনও এ বিষয়ে কোনও জবাব আসেনি কেন্দ্রের তরফে। নাড্ডার দু-দিনের রাজ্যসফরে কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল রাজ্য। তাঁকে ঘিরে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখানোর অভিযোগ ওঠে। আর তার ওপর হামলার অভিযোগেই কড়া পদক্ষেপ করে কেন্দ্র। এর আগে ১৪ ডিসেম্বর রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং ডিজিকে দিল্লিতে তলব করেছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূলের ক্ষতি হবে না, শুভেন্দুর দলত্যাগ প্রসঙ্গে সুব্রত যদিও নাড্ডা-কাণ্ডে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে চিঠি দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার জানায়, দিল্লিতে যাচ্ছেন না ডিজি ও মুখ্যসচিব। মুখ্যসচিবের স্বাক্ষর সম্বলিত একটি দীর্ঘ চিঠিতে রাজ্য সরকার জেপি নাড্ডার সফরে তাঁদের দায়িত্ব, ভূমিকা ও হামলা-পরবর্তী তদন্তমূলক কাজকর্মের বিস্তারিত খতিয়ান ব্যাখ্যা করেছে এবং চিঠির একেবারে শেষে অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছে, যেহেতু রাজ্য সরকার গোটা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে, ফলে মিটিংয়ে স্টেট অফিসিয়ালসদের নিয়ে কেন্দ্রের বসাটা এই মুহূর্তে নিষ্প্রয়োজন।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২০
রাজ্য

জেপি নাড্ডার গাড়িতে হামলা, মুখ্যসচিব - ডিজিকে তলব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গতকালই রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট চেয়েছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। শুক্রবার রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে নিজের রিপোর্ট পাঠিয়ে দিয়েছেন। সুত্রের খবর সেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, নাড্ডা-সহ অন্য বিজেপি নেতাদের উপযুক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেনি রাজ্যের পুলিশ। রাজ্যপালের এই রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় ও ডিজিপি বীরেন্দ্রকে তলব করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। আগামী ১৪ ডিসেম্বর তাঁদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে হাজিরা দেওয়ার দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সুত্রের খবর। আরও পড়ুন ঃ চলতি মাসেই রাজ্যে অমিত শাহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক মনে করছে, রাজ্যের নিরাপত্তার দায় মুখ্যসচিব এবং ডিজিপির। রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতার জন্য কোনও ভিআইপির নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করা যাবে না। আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বীরেন্দ্রর কাছে আগামী ১৪ ডিসেম্বর পুরো ঘটনার রিপোর্ট তলব করা হবে। রিপোর্টে সন্তুষ্ট না হলে তাঁদের কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হতে পারে। তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হতে পারে বলেও সুত্রের খবর।

ডিসেম্বর ১১, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

নির্বাচন-পরবর্তী অশান্তি নিয়ে সরব প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, অভিষেক-কল্যাণের ওপর হামলায় বিজেপিকে নিশানা

নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে হামলা, গ্রেফতারি এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগকে সামনে এনে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় বিরোধী কণ্ঠরোধের চেষ্টা এবং রাজনৈতিক হিংসার নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে, যার পিছনে বিজেপির ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠছে।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, গত কয়েক দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের উপর একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। তার পরদিনই লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের চিফ হুইপ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর আক্রমণের ঘটনা সামনে আসে। এই ধারাবাহিক ঘটনাগুলিকে তিনি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখতে নারাজ। তাঁর মতে, বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা চলছে।আক্রান্ত সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর তিনি জানান, দলের পক্ষ থেকে আক্রান্ত নেতার পাশে থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, দেশের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাই যদি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কতটা সুনিশ্চিত, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, বাংলায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসাকে উসকে দিয়ে বিজেপি স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষের নামে নিজেদের কর্মী-সমর্থকদের মাঠে নামাচ্ছে। তাঁর দাবি, গণতান্ত্রিক বিরোধিতাকে দমন করতে রাজনৈতিক হিংসাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি এও প্রশ্ন তোলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নীরবতা বা প্রশ্রয় ছাড়া এ ধরনের ঘটনা এত ঘনঘন ঘটতে পারে কি না।সামাজিক মাধ্যমের ওই পোস্টে বাংলার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বাংলা বরাবরই সৌজন্য, সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক চর্চার পীঠস্থান হিসেবে পরিচিত। সেই বাংলার রাজনৈতিক পরিসরে হিংসা, ভয় দেখানো বা গুন্ডামির কোনও স্থান নেই। তাই এই ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি দুই ক্ষেত্রেই লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য রাজনীতি উত্তপ্ত। শাসক ও বিরোধী উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হিংসা ও সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলছে। সেই আবহেই তাঁর এই বার্তা নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দিয়েছে।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের সফরে ‘নীরব’ সোনারপুরের তৃণমূল! হামলা ঘিরে সামনে এল দলের অন্দরেই অস্বস্তির ইঙ্গিত

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক কর্মসূচি এক সময় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে ছিল মর্যাদা ও গুরুত্বের বিষয়। তাঁর জেলা সফর মানেই নেতাদের ব্যস্ততা, মঞ্চে নেতার সাথে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ছিল প্রতিযোগিতা। কিন্তু শনিবার সোনারপুরের ঘটনাপ্রবাহ যেন সম্পূর্ণ উল্টো ছবি তুলে ধরল।ভোট-পরবর্তী হিংসায় নিহত এক তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে সোনারপুরে গিয়েছিলেন তৃণমূল দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তাঁর এই কর্মসূচিতে স্থানীয় তৃণমূলের প্রথম সারির অধিকাংশ নেতা-কাউন্সিলরের অনুপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। যে এলাকায় অভিষেকের উপর বিক্ষোভ ও হামলার অভিযোগ উঠেছে, সেটি রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত। অথচ সেই ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতাদের কাউকেই কার্যত দেখা যায়নি ঘটনাস্থলের আশপাশে।তৃণমূল সূত্রে দাবি, অভিষেকের সফরের আগে থেকেই সম্ভাব্য বিক্ষোভের আশঙ্কার কথা স্থানীয় নেতৃত্ব জানিয়েছিল। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছিল। তবে সেই সতর্কবার্তা সত্ত্বেও কর্মসূচি বাতিল হয়নি। ফলস্বরূপ, নিহত কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভ, স্লোগান এবং হামলার মুখে পড়তে হয় অভিষেককে।রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার অধিকাংশ কাউন্সিলর তৃণমূলের হলেও তাঁদের কাউকেই সামনে দেখা যায়নি। দলের একাধিক জনপ্রতিনিধি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এলাকায় এমন এক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল যে অনেকেই প্রকাশ্যে বেরোতে সাহস পাননি। অন্যদিকে, পুরসভার চেয়ারম্যানের ডাকা বৈঠকও শেষ মুহূর্তে হয়নি বলে খবর, যা ঘটনাকে ঘিরে আরও জল্পনা বাড়িয়েছে।সোনারপুর উত্তরের প্রাক্তন বিধায়ক ও তৃণমূল নেত্রী ফিরদৌসি বেগমও জানিয়েছেন, তিনি অভিষেকের সঙ্গে যেতে চাইলেও তাঁর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ শুরু হওয়ায় বেরোতে পারেননি। ফলে অভিষেকের পাশে স্থানীয় নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এদিকে হামলায় ধৃত কয়েক জনের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিজেপির দাবি, গ্রেফতার হওয়া কয়েক জনকে অতীতে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক লাভলি মৈত্রের ঘনিষ্ঠ হিসেবে এলাকায় দেখা যেত। যদিও লাভলি এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, ধৃতরা তৃণমূলের কেউ নন, বরং বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। এ বিষয়ে তিনি পুলিশ প্রশাসন ও দলীয় নেতৃত্বকেও তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, হামলার ঘটনার পাশাপাশি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অনুপস্থিতি দলীয় সংগঠনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো শীর্ষ নেতার কর্মসূচিতে স্থানীয় নেতৃত্বের এই দূরত্ব নিছক কাকতালীয়, নাকি এর পিছনে রয়েছে বৃহত্তর রাজনৈতিক অস্বস্তি সেই জল্পনাই এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

বন্ধ ফ্ল্যাটে দু’টি দেহ, পাশে নেশাগ্রস্ত তিন বন্ধু! গল্ফ গ্রিন কাণ্ডে চাঞ্চল্য

দক্ষিণ কলকাতার গল্ফ গ্রিন এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে এক যুবক ও এক যুবতীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার দুপুরে অরবিন্দ নগরের একটি আবাসনের ফ্ল্যাট থেকে ওই দুই জনের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম দিলশাদ। তাঁর বয়স প্রায় ছাব্বিশ বছর। মৃত যুবতীর বয়স একুশ বছর। দুজন ওই ফ্ল্যাটে একসঙ্গে থাকতেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, দেহ দুটিতে পচন ধরেছিল। ফ্ল্যাটের ভিতর থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকজাতীয় সামগ্রীও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শনিবার বিকেল থেকেই ওই আবাসনের আশপাশে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে। প্রথমে কেউ বিষয়টি গুরুত্ব না দিলেও রবিবার সকালে দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে শুরু করেন এলাকাবাসীরা। তখন সন্দেহ হয় একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটকে ঘিরে। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে এবং সেখান থেকেই উদ্ধার হয় যুবক ও যুবতীর দেহ।তদন্তে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ওই ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন যুবক ও যুবতী। যুবকের বাড়ি তিলজলায় এবং যুবতীর বাড়ি রামগড় এলাকায় বলে জানা গিয়েছে। তাঁরা একসঙ্গে থাকতেন বলে প্রতিবেশীদের দাবি।পুলিশ আরও জানতে পেরেছে, ঘটনার সময় ফ্ল্যাটে আরও দুই যুবক ও এক যুবতী উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই তিন জনকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল।এক প্রবীণ স্থানীয় বাসিন্দার দাবি, ওই ফ্ল্যাটে থাকা যুবক-যুবতী নিয়মিত নেশা করতেন বলে এলাকায় পরিচিত ছিল। তিনি জানান, ঘটনার রাতে ফ্ল্যাটে আরও কয়েক জনের উপস্থিতির কথা স্থানীয়রা জানতে পেরেছিলেন। পরে পুলিশ এসে তাঁদের নিয়ে যায়।দুই তরুণ-তরুণীর মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে মনে করছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। একই সঙ্গে ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া মাদকজাতীয় সামগ্রীর উৎস এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কারও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।গল্ফ গ্রিনের এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রহস্যমৃত্যু, মাদক এবং ফ্ল্যাটে উপস্থিত অন্য তিন জনকে ঘিরে একাধিক প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

এবার মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশ! হঠাৎ তল্লাশিতে জোর চাঞ্চল্য

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক তদন্ত এবং গ্রেপ্তারির ঘটনার মধ্যেই এবার কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে পৌঁছল পুলিশ। রবিবার দুপুরে তাঁর কামারহাটির বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক জল্পনা।পুলিশ সূত্রের খবর, বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। যে বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়, সেটি প্রথমে তালাবন্ধ ছিল। পরে পুলিশ সেখানে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তদন্ত শুরু করে।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, কামারহাটির ওই বাড়ির নাম উদয় ভিলা। সেখানে মদন মিত্রের একটি দলীয় কার্যালয়ও রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, যে জমির উপর বাড়িটি নির্মিত হয়েছে, সেই জমির মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।অভিযোগ উঠেছে, জমিটি কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সংস্থার অধীন। অতীতে সেখানে মহিলাদের স্বনির্ভর করার বিভিন্ন প্রশিক্ষণমূলক কাজ পরিচালিত হতো। তবে স্থানীয় স্তরে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ ছিল, ওই জায়গার ব্যবহার এবং দখল নিয়ে নানা অনিয়ম হয়েছে।তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, জমিটি আইন মেনে ব্যবহার করা হয়েছে কি না এবং সেখানে কোনও বেআইনি কার্যকলাপ চলত কি না। এই অভিযোগগুলির সত্যতা যাচাই করতেই পুলিশের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে রাজ্যে সম্প্রতি বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক তৃণমূল নেতা ও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিধায়কদের স্বাক্ষর সংক্রান্ত মামলাতেও তদন্ত এগোচ্ছে। সেই আবহেই মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশের এই অভিযান রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।যদিও এই বিষয়ে মদন মিত্রের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই ঘটনায় আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক ইস্যুতে বিক্ষোভ, তারপরই বড় পদক্ষেপ! গ্রেপ্তার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্তার ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হলেন চুঁচুড়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার-সহ ১০ জন। পুলিশকে বাধা দেওয়া এবং কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির অভিযোগে রবিবার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার হুগলির পিপুলপাতি এলাকায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল তৃণমূল। সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার অভিযোগের প্রতিবাদেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। অবরোধের জেরে এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হতে শুরু করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামেন।অভিযোগ, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের বচসা শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। এরপর পুলিশ অবরোধকারীদের সরিয়ে দেয়।এই ঘটনার পর তদন্তে নেমে রবিবার সকালে অসিত মজুমদার-সহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে চুঁচুড়া থানার পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমিত্র ঘোষ, ভাইস চেয়ারম্যান পার্থ সাহা, কাউন্সিলার রঞ্জন রাহা, নির্মল চক্রবর্তী, সমীর সরকার-সহ আরও কয়েক জন তৃণমূল নেতা ও কর্মী।পুলিশের দাবি, সরকারি কাজে বাধা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার অভিযোগেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর ধৃতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। এরপর তাঁদের আদালতে পেশ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।প্রসঙ্গত, শনিবার সোনারপুরে যাওয়ার পথে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিক্ষোভের মুখে পড়েন। তাঁর দিকে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কর্মসূচি শুরু করে তৃণমূল। হুগলির পিপুলপাতির বিক্ষোভও ছিল সেই কর্মসূচিরই অংশ।এই গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে জেলাজুড়ে। বিরোধী ও শাসক শিবিরের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

মেসি-কাণ্ডে বড় মোড়! প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, শুরু জোর রাজনৈতিক চর্চা

যুবভারতীতে মেসির সফর ঘিরে বিতর্কের ঘটনায় নতুন মোড় এল। আয়োজক শতদ্রু দত্তের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত করেছে বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শতদ্রু। তিনি লিখেছেন, সত্যের জয়। পাশাপাশি বর্তমান প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ ব্যক্তিকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একাধিক গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে এই মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে প্রতারণা, ভয় দেখানো, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং একাধিক ব্যক্তির যৌথভাবে অপরাধমূলক কাজের পরিকল্পনার মতো বিষয়।ঘটনার সূত্রপাত গত বছরের ডিসেম্বর মাসে। আন্তর্জাতিক ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজ এবং রদ্রিগো দে পল কলকাতায় এসেছিলেন একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে। যুবভারতীতে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠান ঘিরে বিপুল উন্মাদনা তৈরি হয়েছিল। দর্শকদের মধ্যে টিকিটের চাহিদা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে কালোবাজারির অভিযোগও সামনে আসে।তবে অনুষ্ঠান ঘিরে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ওঠে। দর্শকদের একাংশ গ্যালারি থেকে মাঠে নেমে পড়েন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। দেশের অন্য শহরগুলিতে অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হলেও কলকাতার অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই সময় আয়োজক শতদ্রু দত্তও আইনি সমস্যার মুখে পড়েছিলেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে মুখ খুলেছেন শতদ্রু দত্ত। তাঁর অভিযোগ, তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী তাঁর কাছে বিপুল সংখ্যক টিকিট ও প্রবেশপত্র চেয়েছিলেন। তিনি আরও দাবি করেছেন, টিকিট দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানানো হলে তাঁর উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। এছাড়া অনুষ্ঠানের দিন একাধিক অনিয়ম এবং বিশৃঙ্খলার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।শতদ্রুর আরও দাবি, অনুষ্ঠান শুরুর আগেই সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সতর্কবার্তার যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তাঁর অভিযোগ, প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে তাঁকেই দায়ী করা হয়েছিল।এদিকে এই মামলাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে সকলের। অভিযোগগুলির সত্যতা প্রমাণিত হবে কি না, তা নির্ভর করছে তদন্তের ফলাফলের উপর। তবে মামলা নথিভুক্ত হওয়ার পর যুবভারতীর সেই বহুচর্চিত মেসি-কাণ্ড আবারও রাজ্যের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের পর কল্যাণ! পরপর হামলায় বিস্ফোরক মমতা, বিজেপিকে বললেন ‘গণতন্ত্র হত্যাকারী’

পরপর দুদিনে দুই তৃণমূল সাংসদের উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে বিক্ষোভ ও হেনস্তার ঘটনার পর রবিবার হুগলির চণ্ডীতলায় আক্রান্ত হন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই দুই ঘটনার পর সরাসরি বিজেপিকে দায়ী করে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সামাজিক মাধ্যমে করা এক পোস্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, তৃণমূলের দুই গুরুত্বপূর্ণ সাংসদের উপর ধারাবাহিক হামলার ঘটনাগুলি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তাঁর অভিযোগ, এর পিছনে পরিকল্পিত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বিজেপিকে গণতন্ত্র হত্যাকারী বলেও কটাক্ষ করেছেন।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং লোকসভায় দলের অন্যতম প্রধান মুখ। অন্যদিকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতকের দায়িত্বে রয়েছেন। এই দুই নেতার উপর পরপর হামলার ঘটনাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই তুলে ধরেছেন মমতা।শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ধস্তাধস্তির ঘটনায় তাঁর পোশাক ও ব্যক্তিগত সামগ্রীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর রবিবার চণ্ডীতলায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরও হামলার অভিযোগ ওঠে। তাঁর দিকে ঢিল ছোড়া হয় এবং চোর স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।এই ঘটনাগুলির পর তৃণমূল কংগ্রেসও সামাজিক মাধ্যমে একাধিক ভিডিও প্রকাশ করে। দলের দাবি, ঘটনাগুলি পূর্বপরিকল্পিত এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।এদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে হাসপাতাল-সংক্রান্ত বিতর্কও নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। সোনারপুরের ঘটনার পর তাঁকে শহরের একাধিক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকরা প্রাথমিক পরীক্ষার পর ভর্তি করার প্রয়োজন দেখেননি। এই বিষয়েও বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নিয়ে একটি কথোপকথনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও ওই অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। তা সত্ত্বেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।পরপর দুই সাংসদের উপর হামলার অভিযোগ, হাসপাতাল বিতর্ক এবং পাল্টাপাল্টি রাজনৈতিক আক্রমণকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে ভর্তি না নেওয়া নিয়ে বিতর্ক! ভাইরাল অডিও ঘিরে নতুন রাজনৈতিক ঝড়

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্তার ঘটনার পর এবার নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতাল। একটি কথোপকথনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তবে ওই অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।শনিবার সোনারপুরের ঘটনায় উত্তেজনার মধ্যে কলকাতায় ফিরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের প্রাথমিক পরীক্ষার পর জানানো হয়, তাঁর শরীরে গুরুতর কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই এবং হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন নেই।এরপর তাঁকে শহরের আরও একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও চিকিৎসকরা একই মত দেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ ছিল, বাড়িতেই পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা করা সম্ভব।এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে একটি অডিও ছড়িয়ে পড়ে। দাবি করা হচ্ছে, সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং একটি বেসরকারি হাসপাতালের শীর্ষ কর্তার মধ্যে কথোপকথন শোনা যাচ্ছে। যদিও ওই অডিওর সত্যতা এখনও নিশ্চিত নয়।এই অডিও প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী শিবিরের তরফে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিকিৎসা নিয়ে অযথা রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। দলের একাংশের অভিযোগ, কিছু মহল ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টিকে অন্য দিকে ঘোরানোর চেষ্টা করছে।প্রসঙ্গত, শনিবার সোনারপুরে নিহত এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দিকে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ধস্তাধস্তির ঘটনায় তাঁর চশমা, ঘড়ি এবং পোশাকও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে নিরাপত্তারক্ষী ও পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।ঘটনার পর থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে নজর রাখছেন চিকিৎসকরা। একই সঙ্গে ভাইরাল অডিও এবং হাসপাতালকে ঘিরে ওঠা বিতর্ক নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে। ফলে সোনারপুর কাণ্ডের রেশ এখন রাজনীতির পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়েও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

মে ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal